Revenge of nature
আট বছর রিলেশন করে হাত খরচের টাকা বাঁচিয়ে ক্লাস নাইন থেকে মাস্টার্স কমপ্লিট করাই রায়হানকে।চাকরীর জন্য মায়ের গহনা বাসা থেকে না বলেই ১ লাখ ১৭ হাজার টাকায় বিক্রি কর ে চাকরীর ব্যাবস্থা করে দেই। ২০১১ সাল থেকে ২০১৯ সাল আমি পরিবারের চাপে ডিপ্রেশনে ছিলাম,তাও কখনো রায়হানকে কিছু বলি নাই। একাধিক বিয়ে ভেংগে দিয়ে পরিবারের সাথে বার বার মানুষিক অত্যাচারে জর্জরিত হয়েছি। তবুও রায়হানকে চাকরী না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলি নাই। ২০১৯ সালে অক্টোবর মাসের ১১ তারিখ চাকরী হয় রায়হানের। ২২ নভেম্বর আমি বিয়ের কথা বলি। আমার কাছে সময় চায়। সেটা ও মেনে নেই। ধীরে ধীরে অফিসের ব্যাস্ততার অজুহাত দেখিয়ে যোগাযোগ কম করে। ইচ্ছা করে ফোন দিলে বিভিন্ন ভাবে কৌশলে এড়িয়ে চলে। ২১ ডিসেম্বর বাসা থেকে প্রচুর চাপ আসে বিয়ের জন্য। না পেরে রায়হানের কথা পরিবারের কাছে বলি। আমার বড় ভাই আমার ভাবির মাধ্যমে সব জানতে পারে। ২৪ ডিসেম্বর আমার ভাই রায়হানের সাথে দেখা করে। রায়হান খুব সুন্দর করেই নানানভাবে আমি তার যোগ্য না আমার ভাইকে বুঝিয়ে ফিরিয়ে দেয়। তারপর ঝগড়া শুরু হতে থাকে,বিভিন্ন ভাবে আমি দেখা করতে চাইলে উত্তর একটাই আসে নাহ সরি। বিভিন্ন নাম্বার থেক...